সুনামগঞ্জ , বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬ , ৩ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জনগণের উন্নয়নই বিএনপির মূল লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতকই থাকছে নদী ও খাল দখলকারীরা সাবধান হয়ে যান : কৃষিমন্ত্রী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের দায়িত্ব নিলেন মিজানুর রহমান চৌধুরী পণতীর্থে মহাবারুণী স্নান আজ দখল হওয়া খালগুলো উদ্ধার করা হবে সড়কের উন্নয়নকাজে অনিয়মের অভিযোগ ‎মাসব্যাপী কিরাআত প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হাওরের বাঁধ: ‘আমরা আরম্ভ করি শেষ করি না...’ এখন থেকে কোনো ধরনের ঘুষ-দুর্নীতি সহ্য করা হবে না : বিভাগীয় কমিশনার খান মো. রেজা-উন-নবী মিজান চৌধুরী সুনামগঞ্জ জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক শিলা বৃষ্টিতে বোরো ফসল আক্রান্ত, আগাম বন্যার শঙ্কায় কৃষক অপরিকল্পিত ফসল রক্ষা বাঁধে জলাবদ্ধতা, কৃষকের স্বপ্নভঙ্গের শঙ্কা মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে প্রবাসী শ্রমিকদের জীবন শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার অঙ্গীকার প্রধানমন্ত্রীর হাওরে আশা-নিরাশার দোলাচল জামালগঞ্জে ব্রিটিশ বাংলা ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের ঈদ উপহার বিতরণ সুনামগঞ্জ রিপোর্টার্স ইউনিটির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল এমপি কলিম উদ্দিন মিলনকে সংবর্ধনা প্রদান জগন্নাথপুরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ১০

বিএনপিতে আ.লীগ পন্থীদের পুনর্বাসনের অভিযোগ

  • আপলোড সময় : ০২-০৮-২০২৫ ০৮:২৩:০৪ পূর্বাহ্ন
  • আপডেট সময় : ০২-০৮-২০২৫ ০৮:২৩:০৪ পূর্বাহ্ন
বিএনপিতে আ.লীগ পন্থীদের পুনর্বাসনের অভিযোগ
স্টাফ রিপোর্টার :: দিরাই উপজেলা বিএনপিতে আওয়ামী লীগ ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের নেতৃত্বে বসানোর অভিযোগ উঠেছে। জগদল ইউনিয়ন বিএনপির নবঘোষিত কমিটিতে বিতর্কিত ও আওয়ামী লীগপন্থী ব্যক্তিকে আহ্বায়ক হিসেবে মনোনয়ন দেওয়ায় স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। গত বৃহ¯পতিবার জগদল ইউনিয়ন বিএনপির কয়েকজন নেতা, ইউনিয়ন যুবদলের মো. মুক্তাদির, ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মতি মিয়া ও নুরুজ্জামান এক লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক স¤পাদক মিফতাহ সিদ্দিকী, সুনামগঞ্জ জেলা আহ্বায়ক কলিম উদ্দিন মিলন এবং স্বাক্ষরক্ষমতাপ্রাপ্ত সদস্য অ্যাডভোকেট আব্দুল হকের কাছে। অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, জগদল ইউনিয়নের আহ্বায়ক হিসেবে মনোনীত সমুজ মিয়া অতীতে আওয়ামী লীগপন্থী হিসেবে পরিচিত এবং তার রাজনৈতিক অতীত বিতর্কিত। তিনি একবার উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক পদে আবেদন করলেও জেলা কমিটির জানুয়ারি মাসের বৈঠকে তার আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা ও দলবিরোধী কার্যকলাপের কারণে আবেদন বাতিল করা হয়। অভিযোগকারীদের দাবি, সমুজ মিয়াকে পুনরায় আহ্বায়ক করা জেলা ও কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের পরিপন্থী এবং সাংগঠনিক নীতিমালার লঙ্ঘন। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, ৫ আগস্ট পর্যন্ত সমুজ মিয়াকে কোনো বিএনপির কর্মসূচিতে দেখা যায়নি; বরং তিনি আওয়ামী লীগ নেতাদের পক্ষে প্রচারণায় অংশ নিয়েছেন। এ ঘটনায় দিরাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আমির হোসেন ও যুগ্ম আহ্বায়ক কবির মিয়ার বিরুদ্ধে সরাসরি যোগসাজশের অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযোগে আরও দাবি করা হয়, সমুজ মিয়া সম্প্রতি বিএনপির সভা-সমাবেশ অংশ নিচ্ছেন এবং মঞ্চে বসছেন - যা দলীয় শৃঙ্খলার পরিপন্থী। এছাড়া যুগ্ম আহ্বায়ক কবির মিয়ার বিরুদ্ধেও প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় নেতারা। অভিযোগে বলা হয়, তিনি একজন বিতর্কিত ব্যক্তি, যাকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আওয়ামী লীগ নেতাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ ছবি ভাইরাল হয়েছে। এমনকি তার ছোট ভাইয়ের স্ত্রীকেও, যিনি আগে রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন না, উপজেলা কমিটিতে স্থান দেওয়া হয়েছে। অভিযোগে সমুজ মিয়াকে আহ্বায়ক পদ থেকে অব্যাহতি, বিষয়টির তদন্ত এবং গ্রহণযোগ্য কাউকে আহ্বায়ক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। এ অভিযোগের অনুলিপি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ড. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের কাছেও পাঠানো হয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স